
উপনিবেশ আমল থেকেই এই উপমহাদেশে চলছে সেক্যুলার বা ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষাব্যবস্থা। যার পরিবর্তন সময়ের অপরিহার্য দাবি। কিন্তু কীভাবে তা পূরণ হবে? প্রয়োজন ইস্পাত কঠিন সিদ্ধান্তে দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে যাওয়া। সার্বজনীন একটি শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা। সে লক্ষ্যেই একটি প্রতিশ্রুতিশীল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
আমরা স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি। আমরা একটি সুন্দর সমাজ গড়তে পছন্দ করি। আমরা একটি নিরাপদ জনপথ চাই। আমরা একটি উন্নত নৈতিক মূল্যবোধভিত্তিক জাতি গড়তে চাই। সমাজকে পাপ পঙ্কিলতা ও কলঙ্কমুক্ত দেখতে চাই। কিন্তু কীভাবে? কীভাবে একটি ঘুণেধরা জাহেলী সমাজ যা আপাদমস্তক ডুবে আছে অপসংস্কৃতির বেড়াজালে, যেখানে মানবতা নেই, মূল্যবোধ নেই, নেই স্রষ্টার সাথে সৃষ্টি ও প্রকৃতির সাথে মানুষের কোন নৈতিক বন্ধন, যেখানে প্রতিটি সূর্যোদয় হচ্ছে মজলুম মানবতার রক্তে স্নাত হয়ে। না, আমি কোন হতাশার কথা বলছি না বরং আমাদের বোধশক্তিটুকু জাগ্রত করার মধ্য দিয়েই একটি সুন্দর জাতি, সমাজ, দেশ, রাষ্ট্র, সর্বোপরি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়া সম্ভব। প্রয়োজন ত্যাগের মন-মানসিকতাসম্পন্ন একঝাঁক তরুণ, উদ্যমী ও সাহসী সন্তান। যারা শিক্ষা বাণিজ্য ও ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে সমাজকে একটি তাক্বওয়াভিত্তিক জনগোষ্ঠী উপহার দেবে। আল্লাহ আমাদের সকল প্রচেষ্টাকে তার সন্তুষ্টি ও জান্নাতের বিনিময়ে কবুল করুন। আমীন। ... আরও পড়ুন
আমরা স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি। আমরা একটি সুন্দর সমাজ গড়তে পছন্দ করি। আমরা একটি নিরাপদ জনপথ চাই। আমরা একটি উন্নত নৈতিক মূল্যবোধভিত্তিক জাতি গড়তে চাই। সমাজকে পাপ পঙ্কিলতা ও কলঙ্কমুক্ত দেখতে চাই। কিন্তু কীভাবে? কীভাবে একটি ঘুণেধরা জাহেলী সমাজ যা আপাদমস্তক ডুবে আছে অপসংস্কৃতির বেড়াজালে, যেখানে মানবতা নেই, মূল্যবোধ নেই, নেই স্রষ্টার সাথে সৃষ্টি ও প্রকৃতির সাথে মানুষের কোন নৈতিক বন্ধন, যেখানে প্রতিটি সূর্যোদয় হচ্ছে মজলুম মানবতার রক্তে স্নাত হয়ে। না, আমি কোন হতাশার কথা বলছি না বরং আমাদের বোধশক্তিটুকু জাগ্রত করার মধ্য দিয়েই একটি সুন্দর জাতি, সমাজ, দেশ, রাষ্ট্র, সর্বোপরি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়া সম্ভব। প্রয়োজন ত্যাগের মন-মানসিকতাসম্পন্ন একঝাঁক তরুণ, উদ্যমী ও সাহসী সন্তান। যারা শিক্ষা বাণিজ্য ও ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে সমাজকে একটি তাক্বওয়াভিত্তিক জনগোষ্ঠী উপহার দেবে। আল্লাহ আমাদের সকল প্রচেষ্টাকে তার সন্তুষ্টি ও জান্নাতের বিনিময়ে কবুল করুন। আমীন। ... আরও পড়ুন
সকল প্রশংসা জ্ঞাপন করছি আল্লাহ তায়ালার দরবারে যিনি বস্তুবাদী শিক্ষার যুগেও আমাদেরকে দ্বীনি শিক্ষার সম্প্রসারণে সম্পৃক্ত হওয়ার তৌফিক দিয়েছেন। ইহকালীন ও পরকালীন সফলতা এবং মুক্তির জন্য ছেলে-মেয়েদেরকে জাগতিক শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামি শিক্ষা দেওয়া প্রতিটি মুসলমানের কর্তব্য। মুসলিম হিসেবে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও পরকালীন সফলতাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। আর্থ সামাজিক উন্নয়নে জাগতিক শিক্ষার প্রয়োজনও কম নয়। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, বর্তমানে আমাদের দেশের জাগতিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা বিশুদ্ধ ইসলামি শিক্ষা থেকে বঞ্চিত এবং নৈতিকতা বিবর্জিত হয়ে পড়েছে। এ সমস্যা দূরীকরণের একমাত্র পথ হল ইসলামি শিক্ষা ও জাগতিক শিক্ষার সু-সমন্বয় সাধন। সমাজের এ মহান প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যেই মীরসরাই আজিজিয়া মাদরাসা নামে আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্টা করা হয়। শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশ ও মনোদৈহিক উন্নয়নে ইলমে ওহীর জ্ঞানের বিকল্প নেই। দ্যা হলি কুরআন ইসলামিক স্কুলের শিক্ষার্থীরা আলোকিত মানুষ হয়ে দেশ ও জাতির উন্নয়ন এবং প্রকৃতভাবে ইসলামকে মানুষের সামনে উপস্থাপন করবে এ প্রত্যয় ব্যক্ত করে মহান আল্লাহ তাআলার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি। সকল প্রশংসা জ্ঞাপন করছি আল্লাহ তায়ালার দরবারে যিনি ... আরও পড়ুন